, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সময়ভেলা এক্সপ্লানেশন:

​২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ দেশ, তালিকায় বাংলাদেশ!

  • আপলোড সময় : ২৭-০১-২০২৬ ১২:২৪:০৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০১-২০২৬ ১২:২৪:০৩ অপরাহ্ন
​২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ দেশ, তালিকায় বাংলাদেশ! সংগৃহিত ছবি
চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছয়টি দেশ—যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।


সোমবার (২৬ জানুয়ারি) গবেষণাটি নেচার সাসটেইনেবিলিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের সংকট দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর। জীবাশ্ম জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে।


গবেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, তবে শতকের মাঝামাঝি বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) চরম তাপের ঝুঁকিতে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই হার ছিল ২৩ শতাংশ।



উচ্চ রেজুলেশনের জলবায়ু ও জনসংখ্যাভিত্তিক মডেল বিশ্লেষণ করে ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ (CDD) সূচকের মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। বছরে ৩ হাজারের বেশি CDD থাকা অঞ্চলকে “চরম তাপপ্রবণ” বলা হয়েছে।

চরম তাপে বসবাসকারী সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশগুলো হলো—

ভারত

নাইজেরিয়া

ইন্দোনেশিয়া

বাংলাদেশ

পাকিস্তান

ফিলিপাইন


গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় গড় তাপমাত্রা প্রকৃত ঝুঁকি আড়াল করে দিতে পারে। বাস্তবে দেশের বড় অংশের মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করে, যেখানে দীর্ঘস্থায়ী ও বিপজ্জনক তাপমাত্রা নিয়মিত দেখা যায়, যা স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও জীবনযাপনে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপপ্রবাহের কারণে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগজনিত চাপ ও কিডনি রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে—বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে, যাদের শীতলীকরণ সুবিধা সীমিত।


গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে, ভবিষ্যতে এয়ার কন্ডিশনের চাহিদা বাড়তে থাকলে ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি হতে পারে—কারণ এতে জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহৃত হলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হবে।

বিজ্ঞানীদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারলে প্রাণঘাতী তাপসংকট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


সময়ভেলা | পরিবেশ

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
​বিশ্বকাপ নাটকে নতুন মোড়, টি-২০ বিশ্বকাপে এখনো  বাংলাদেশের সুযোগ!

​বিশ্বকাপ নাটকে নতুন মোড়, টি-২০ বিশ্বকাপে এখনো বাংলাদেশের সুযোগ!